1. live@www.chattolaralo.com : চট্টলার আলো : চট্টলার আলো
  2. info@www.chattolaralo.com : চট্টলার আলো :
বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০১:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চসিকের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার হস্তান্তর করেন ডা. শাহাদাত হোসেন খাল পুনঃখনন হলে বদলে যাবে বাংলাদেশের কৃষি ও অর্থনীতির চিত্র  —–অর্থ এবং পরিকল্পনা মন্ত্রী  তালা বদ্ধ রুমে দুর্গন্ধ: দরজা খুলে দেখেন পাখার সঙ্গে ঝুলছে সেলুন কর্মচারীর অর্ধগলিত মরদেহ জাগৃতির ইফতার মাহফিল ও সংবর্ধনা সমাবেশ অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম বিএসটিআইয়ের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত,  মামলা দায়ের ও জরিমানা আদায় চট্টগ্রাম বিএসটিআই’র উদ্যোগে বায়েজীদে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত চট্টগ্রামে রিয়াজউদ্দিন বাজারে বিএসটিআই’র সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালিত পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে বোয়ালখালীতে বিএসটিআই’র সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালিত চট্টগ্রাম বিএসটিআই’র উদ্যোগে ৩ টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত  রাউজান প্রেসক্লাব’র স্বরণ সভা দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

খাল পুনঃখনন হলে বদলে যাবে বাংলাদেশের কৃষি ও অর্থনীতির চিত্র  —–অর্থ এবং পরিকল্পনা মন্ত্রী 

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিবেদক :
অর্থ এবং পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, খাল পুনঃখনন হলে বদলে যাবে বাংলাদেশের কৃষি ও অর্থনীতির চিত্র। তিনি বলেন, অর্থের বিষয়টি অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ হলেও সব ধরনের হিসাব-নিকাশ করেই সরকার এই বৃহৎ প্রকল্প হাতে নিয়েছে এবং পরিকল্পিতভাবে ধাপে ধাপে তা বাস্তবায়ন করা হবে।
মন্ত্রী আজ চট্টগ্রাম জেলার মীরসরাই উপজেলার মলিয়াইশ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে  গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অগ্রাধিকার কর্মসূচি আওতায় প্রধানমন্ত্রী উদ্যোগে দেশব্যাপী নদী – নালা খাল,জলধার খনন ও পুনঃ খনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন কর্তৃক চট্টগ্রাম জেলার মীরসরাই উপজেলার বামনসুন্দর খাল পুনঃ খনন কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই সব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, সরকারের প্রতিটি প্রকল্পই যথাযথভাবে কস্টেড অ্যান্ড বাজেটেড, অর্থাৎ খরচ নির্ধারণ ও বাজেট বরাদ্দের মাধ্যমে সুপরিকল্পিতভাবে প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে এবং ধাপে ধাপে কাজ সম্পন্ন করা হবে।
মন্ত্রী আরো বলেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী সারাদেশে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে আগামী ছয় মাসের মধ্যে প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার খাল খননের কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, এত বড় কর্মসূচি একদিনে শেষ করা সম্ভব নয়, তাই ধাপে ধাপে পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে। যদি এই ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন সম্পন্ন করা যায়, তাহলে বাংলাদেশের কৃষি, পরিবেশ ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে এক নতুন পরিবর্তন আসবে।
খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষি, পরিবেশ ও স্থানীয় অর্থনীতিতে বড় ধরনের ইতিবাচক প্রভাব পড়বে উল্লেখ করে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, একটি খালের কাজ সম্পন্ন হলে প্রায় ১৫ হাজার হেক্টর জমি নতুন করে চাষাবাদের আওতায় আসবে এবং এতে প্রায় পাঁচ হাজার মেট্রিক টন অতিরিক্ত খাদ্য উৎপাদন সম্ভব হবে।
খাল দখলমুক্ত করার চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে অনেক খাল দখল হয়ে গেছে। তবে ইতোমধ্যে এসব খালের সীমানা নির্ধারণ বা ডিমারকেশন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যেখানে সরকারের খালের মালিকানা আছে, সেখানে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী দখল করে রাখার সুযোগ পাবে না। সীমানা নির্ধারণের পর সেই অনুযায়ী খাল খননের কাজ করা হবে।
মন্ত্রী আরো বলেন, সরকারের লক্ষ্য, উন্নয়ন প্রকল্পগুলো স্বচ্ছতার সঙ্গে বাস্তবায়ন করা এবং দুর্নীতির সুযোগ কমিয়ে আনা। কৃষি কার্ড, ফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির মতো খাল খনন প্রকল্পও মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের অংশ হিসেবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, একটি খালের কাজ সম্পন্ন হলে প্রায় ১৫ হাজার হেক্টর জমি নতুন করে চাষাবাদের আওতায় আসবে এবং এর ফলে প্রায় পাঁচ হাজার মেট্রিক টন অতিরিক্ত খাদ্য উৎপাদন সম্ভব হবে। এতে কৃষকরা উপকৃত হবেন এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে।
খাল দখলমুক্ত করার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে অনেক খাল অবৈধভাবে দখল হয়ে গেছে। ইতোমধ্যে এসব খালের সীমানা নির্ধারণ বা ডিমারকেশন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। যেখানে সরকারের মালিকানাধীন খাল রয়েছে সেখানে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী দখল করে রাখতে পারবে না। সীমানা নির্ধারণের পর আইন অনুযায়ী খাল পুনঃখনন এবং সংস্কারের কাজ পরিচালনা করা হবে।
মন্ত্রী আরো বলেন, সরকারের লক্ষ্য উন্নয়ন প্রকল্পগুলো স্বচ্ছতার সঙ্গে বাস্তবায়ন করা এবং দুর্নীতির সুযোগ কমিয়ে আনা। কৃষি কার্ড, ফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির মতো খাল খনন প্রকল্পও মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম ১ নং আসনের সংসদ সদস্য নুরুল আমিন এমপি, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড.  মোঃ জিয়াউদ্দিন, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী সেচ মুহাম্মদ বদিউল আলম সরকার, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের প্রকল্প পরিচালক ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো : নূরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খাঁন বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন। মীরসরাই উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সোমাইয়া আক্তার স্বাগত বক্তৃতা করেন।
অনুষ্ঠানে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং কৃষকসহ স্থানীয় গণ্য মান্য ব্যাক্তিবর্গ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট