1. live@www.chattolaralo.com : চট্টলার আলো : চট্টলার আলো
  2. info@www.chattolaralo.com : চট্টলার আলো :
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১২:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কাতালগঞ্জকে স্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতামুক্ত করতে হিজড়া খাল সংস্কার করা হচ্ছে  —  মেয়র ডা. শাহাদাত মহান স্বাধীনতা দিবসের এই মাহেন্দ্রক্ষণে  গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে  —– বিভাগীয় কমিশনার গণতান্ত্রিক পরিবেশে এবারের ঈদ আনন্দ ভিন্ন — অর্থ এবং পরিকল্পনা মন্ত্রী চসিকের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার হস্তান্তর করেন ডা. শাহাদাত হোসেন খাল পুনঃখনন হলে বদলে যাবে বাংলাদেশের কৃষি ও অর্থনীতির চিত্র  —–অর্থ এবং পরিকল্পনা মন্ত্রী  তালা বদ্ধ রুমে দুর্গন্ধ: দরজা খুলে দেখেন পাখার সঙ্গে ঝুলছে সেলুন কর্মচারীর অর্ধগলিত মরদেহ জাগৃতির ইফতার মাহফিল ও সংবর্ধনা সমাবেশ অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম বিএসটিআইয়ের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত,  মামলা দায়ের ও জরিমানা আদায় চট্টগ্রাম বিএসটিআই’র উদ্যোগে বায়েজীদে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত চট্টগ্রামে রিয়াজউদ্দিন বাজারে বিএসটিআই’র সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালিত

চট্টগ্রামে এনআইডি জালিয়াতি : নির্বাচন কর্মকর্তাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১০৮ বার পড়া হয়েছে

প্রবাল সাহা :

চট্টগ্রাম, ১২ নভেম্বর, ২০২৫ (বাসস) : জাল জন্মনিবন্ধন ও ভুয়া তথ্য ব্যবহার করে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) তৈরির অভিযোগে সাবেক বন্দর থানা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ আশরাফুল আলমসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আশরাফুল আলম বর্তমানে ফেনী জেলার অতিরিক্ত নির্বাচন কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত।

মামলার অন্য আসামি হলেন—চট্টগ্রাম নগরের দক্ষিণ হালিশহর জসিম কলোনির মৃত আজিজুর রহমানের ছেলে আব্দুল জলিল, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ৮ নম্বর শুলকবহর ওয়ার্ডের সাবেক জন্মনিবন্ধন সহকারী পিন্টু কুমার দে।

বুধবার দুদকের চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ মামলাটি করেন দুদকের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের (সংযুক্তি) সহকারী পরিচালক অংটি চৌধুরী।

মামলার তথ্য নিশ্চিত করে দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এর উপপরিচালক সুবেল আহমেদ বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা পরস্পরের যোগসাজশে জালিয়াতির মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ নথি তৈরি করেছেন। প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেছে। তদন্ত চলমান, আর কারো সংশ্লিষ্টতা পেলে সেটিও খতিয়ে দেখা হবে।

দুদকের এজাহার সূত্রে জানা গেছে, আবদুল জলিলের জন্ম, নাগরিকত্ব অথবা তার বাবা-মায়ের পরিচয় সংক্রান্ত কোনো সরকারি নথি পাওয়া যায়নি। নাগরিকত্বের বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই ২০১১ সালের ২২ জুলাই তিনি জাল জন্মনিবন্ধন প্রস্তুত করেন। ২০১৭ সালের মে মাসে একই সনদ ভুয়া স্বাক্ষর ব্যবহার করে পুনরায় নবায়ন করা হয়।

এ নথি প্রস্তুত ও অনুমোদনে তৎকালীন বন্দর থানার নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ আশরাফুল আলম এবং জন্মনিবন্ধন সহকারী পিন্টু কুমার দে তাকে সহায়তা করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করে দুদক।

পরে ওই জাল জন্মনিবন্ধনের তথ্য ব্যবহার করে নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে মিথ্যা পরিচয় ও ভুয়া ঠিকানা দিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করা হয়। এনআইডি আবেদন ফরমে তার বাবা-মা ও স্ত্রীর পরিচয়ের ঘর ফাঁকা ছিল। তিনি যে ঠিকানাগুলো স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা হিসেবে ব্যবহার করেছেন, সেসব ঠিকানায় তার বসবাসের কোনো প্রমাণও পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে দুদক।

দুদকের ফরেনসিক পরীক্ষায় জন্মনিবন্ধন সনদে থাকা সই এবং নিবন্ধকের স্বাক্ষর জাল হিসেবে প্রমাণ হয়েছে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১, ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট