সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ০৭:৫৮ অপরাহ্ন

সোনাইছড়া পানি প্রকল্পে পর্যটনের হাতছানি

মিরসরাইয়ে সোনাইছড়া পানি প্রকল্পে ১০ একরের একটি লেক রয়েছে। যেখানে বর্ষাকালে পানি আটকে রেখে শুষ্ক মৌসুমে চাষাবাদ করার জন্য ছাড়া হয়। প্রকল্পে রয়েছে নয়নাভিরাম একটি ঝর্ণা। এই ঝর্ণাকে ঘিরে গড়ে উঠতে পারে পর্যটন শিল্প।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বড়তাকিয়া বাজার থেকে ২ কিলোমিটার ও বড়তাকিয়া রেলস্টেশন থেকে ১ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত সোনাইছড়া পানি প্রকল্প। প্রকল্পে রয়েছে নয়নাভিরাম ঝর্ণা। লেকে ছাড়া হয়েছে কার্প জাতীয় মাছ। যেগুলো এখন প্রায় ৩-৫ কেজি ওজনের হয়ে গেছে।

১০ একর বিশিষ্ট লেকের স্বচ্ছ নীলজলরাশি মুগ্ধ করবে যেকোন ভ্রমণপিয়াসুকে। লেকের পাশ বেষ্টিত পাহাড় থেকে বাতাসে ভেসে আসে হরিণের ডাক ও নানা প্রজাতির পাখির সুমধুর কণ্ঠ। ভ্রমণের জন্য লেকে প্যাডেল চালিত বোড ও কায়াকিং ছাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে সমিতির।

ইতিমধ্যে বারৈয়ঢালা ন্যাশনাল পার্ক সোনাইছড়া ঝর্ণাকে ইজারা দিয়েছে। পানি ব্যবস্থাপনা সমিতির উদ্যোগে ইকো রিসোর্ট নির্মাণ ও সিএমসি’র অধীনে ইকোশপ নির্মাণ করা হচ্ছে। এই ঝর্ণার ১ কিলোমিটার উত্তরে খইয়াছড়া ঝর্ণা ও ১ কিলোমিটার দক্ষিণে নাপিতছড়া ঝর্ণা।

তবে সোনাইছড়া ঝর্ণায় যাওয়ার একমাত্র সড়কটি অবহেলিত। কাঁদামাটি পেরিয়ে যেতে হবে ঝর্ণায়।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) উপজেলা সহকারি প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বলেন, ৪ কোটি ৩৩ লাখ টাকা ব্যয়ে সোনাইছড়া পানি প্রকল্প নির্মাণ করা হয়েছে। ঝর্ণার রাস্তার উন্নয়ন ও ৩টি ব্রীজ নির্মাণের জন্য প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। শীঘ্রই টেন্ডার প্রক্রিয়ায় যাবে বলে জানান তিনি।

সোনাইছড়া পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিমিটেড ও বারৈয়ঢালা ন্যাশনাল পার্ক নির্বাহী কমিটির সভাপতি মোঃ সরওয়ার উদ্দিন বলেন, পর্যটন হিসেবে এটি গুরুত্বপূর্ণ। সোনাইছড়া ঝর্ণা থেকে অল্প সময়ে খইয়াছড়া ঝর্ণা ও নাপিতছড়া ঝর্ণায় যাওয়া যাবে। পর্যটকদের যাতায়াতে সুবিধার্থে রাস্তা সংস্কার ও ব্রীজ নির্মাণ করা প্রয়োজন।

পর্যটকদের জন্য বাথরুম ও রেস্ট হাউজসহ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হলে এখান থেকে সরকার প্রচুর রাজস্ব আদায় করতে পারবে, জানান তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত